কেউ যখন গুগলে লেখে “নোয়াখালীতে ডায়াগনস্টিক সেন্টার” বা “কাছের কম্পিউটার দোকান”, তখন প্রথম পাতায় যাদের নাম আসে, কাস্টমার তাদের কাছেই যায়। ভালো খবর হলো, প্রথম পাতায় আসতে সবসময় বড় বাজেট লাগে না। নিচের ৫টি টিপস মেনে চললেই শুরুটা হয়ে যাবে।
১. গুগল বিজনেস প্রোফাইল তৈরি করুন
লোকাল ব্যবসার জন্য এটাই সবচেয়ে কার্যকর আর একদম ফ্রি। ঠিকানা, ফোন নম্বর, খোলার সময় আর দোকানের ছবি দিয়ে প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ করুন। এতে গুগল ম্যাপে আর লোকাল সার্চে আপনার ব্যবসা দেখা যাবে।
২. কাস্টমার যা লিখে খোঁজে, সেই কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন
আপনার কাস্টমার কোন শব্দ লিখে খোঁজে, সেটা আগে বুঝুন। তারপর সেই শব্দগুলো ওয়েবসাইটের টাইটেল, হেডিং আর লেখায় স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করুন।
- পেজের টাইটেলে মূল কিওয়ার্ড আর এলাকার নাম রাখুন।
- প্রতিটি পেজের জন্য আলাদা ও স্পষ্ট মেটা ডিসক্রিপশন লিখুন।
- জোর করে বারবার কিওয়ার্ড বসাবেন না, লেখা যেন পড়তে স্বাভাবিক লাগে।
৩. ওয়েবসাইট দ্রুত ও মোবাইল-ফ্রেন্ডলি রাখুন
বেশিরভাগ মানুষ এখন মোবাইল দিয়েই খোঁজে। ওয়েবসাইট খুলতে দেরি হলে বা মোবাইলে ভেঙে গেলে ভিজিটর চলে যায়, আর গুগলও সেই সাইটকে নিচে নামিয়ে দেয়।
৪. নিয়মিত কাজের কন্টেন্ট লিখুন
কাস্টমারের সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে ব্লগ বা গাইড লিখুন। দরকারি কন্টেন্ট মানুষ বেশি পড়ে ও শেয়ার করে, আর গুগল সেই সাইটকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
৫. রিভিউ ও লোকাল লিংক সংগ্রহ করুন
সন্তুষ্ট কাস্টমারদের গুগলে রিভিউ দিতে অনুরোধ করুন আর প্রতিটি রিভিউয়ের উত্তর দিন। স্থানীয় ডিরেক্টরি, ফেসবুক পেজ আর পরিচিত ওয়েবসাইটে আপনার সাইটের লিংক থাকলে সার্চে আস্থা বাড়ে।
- বেশি রিভিউ মানে নতুন কাস্টমারের বেশি আস্থা।
- রিভিউয়ের উত্তর দিলে বোঝা যায় আপনি কাস্টমারের কথা শোনেন।
- সব জায়গায় ব্যবসার নাম, ঠিকানা আর ফোন নম্বর একই রাখুন।
শেষ কথা
SEO এক দিনের কাজ না, তবে নিয়ম মেনে লেগে থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই ফল দেখা যায়। নোয়াখালী সফট ওয়েবসাইট তৈরি থেকে SEO আর সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং পর্যন্ত সব সেবা দেয়। আপনার ব্যবসাকে গুগলে উপরে আনতে আমাদের সাথে কথা বলুন।
